মাইক্রোকরন্ট্রোলার:
সিঙ্গেল চিপ মাইক্রোকম্পিউটারকে মাইক্রোকন্ট্রোলার বলা হয়
। এতে একটি চিপের মধ্যেই নির্দিষ্ট পরিমান RAM,ROM, EEPROM, ALU, Timer ,
Counter, I/O port ইমবেডেড অবস্থায় থাকে । তাই মাইক্রোকন্ট্রোলার
মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়েও দ্রুত কাজ সম্পাদন করতে পারে। এতে টাইমিং এবং
কন্ট্রোল ইউনিট যুক্ত থাকায় এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের মেশিনকে সুক্ষ ও
নির্ভুলভাবে নিয়ন্ত্রন করা যায়।
মাইক্রোকন্ট্রোলার
মাইক্রোপ্রসেসর , মেমরি, কন্ট্রোল ইউনিট ইত্যাদির সমন্বয়ে গঠিত। যদি
মাইক্রোপ্রসেসর মানুষের মস্তিস্ক হয় তবে মাইক্রোকন্ট্রোলারকে একজন
পূর্ণাঙ্গ মানুষের সাথে তুলনা করা চলে । মানুষ যেমন তার চিন্তা চেতনা এবং
বুদ্ধিমত্তার দ্বারা পরিপার্শের যে কোন পরিবর্তনে সাড়া প্রদান করে তার
কর্মকান্ডকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ঠিক তেমনি, মাইক্রোকন্ট্রোলারের ইনপুট
পোর্টে বিভিন্ন ধরণের সেন্সর ব্যবহারের মাধ্যমে পরিপার্শের বিভিন্ন
পরিবর্তন থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করে সে অনুযায়ী আউটপুট পরিবর্তণের মাধ্যমে
সাড়া প্রদান করতে পারে। মাইক্রোকন্ট্রোলার সম্পূর্ণরূপে প্রোগ্রামেবল
হাওয়ায় কোন সার্কিটের হার্ডওয়্যার পরিবর্তন না করেই শুধুমাত্র
প্রোগ্রাম উন্নত করার মাধ্যমে সার্কিটের কার্যপরিধী ও কার্যদক্ষতা বৃদ্ধি
করা সম্ভব হয়।

