:user: vai
www.itsomadhan.blogspot.com

Translate

Showing posts with label কম্পিউটারর্স. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটারর্স. Show all posts

Saturday, August 1, 2015

 আপনারা অনেকেই ল্যাপটপ ব্যবহার করেন কিন্তু অনেকেরই  ব্যাটারিতে সমস্যা দেখা দেই। যেমন Backup ঠিক ভাবে দেয় না , ব্যাটারি Backup এর সময় Time ভুল নির্ধারণ করে । আর এসব সমস্যা থেকে ব্যাটারি  কে ঠিক রাখার জন্য মাত্র ১.৭ M.B এর BatteryCare নামক  এই  সফটওয়্যারটি  ডাউনলোড করে নিন ।


বৈশিষ্ট্য:
BatteryCare সফটওয়্যার  টি   ল্যাপটপ এর ব্যাটারি ব্যবহার এবং কর্মক্ষমতা নিখুত ভাবে পরীক্ষণ করে এবং  তার জীবনকাল উন্নতি করতে সাহায্য করে।
ডাউনলোড লিঙ্ক – server 1
ডাউনলোড লিঙ্ক – server 2
Features
  • Battery’s discharge cycles monitoring
    The advanced algorithm accurately records when a complete discharge cycle is performed.
    When the configured number of discharge cycles is reached, a notification balloon pops up to remind that a full discharge is required.
  • Complete battery information
    It calculates the statistical remaining time in laptops that don’t support the battery time left information and only list the charge percentage.
    Shows all the detailed information about the battery, such as wear level, capacities, consumption, manufacturer, etc.
  • CPU and HDD temperature reading
    BatteryCare constantly monitors your CPU and hard drive temperature, either in degrees Celsius or Fahrenheit.
  • Automatic power plans switching
    Depending on the power source of the computer, BatteryCare can automatically select the power plan you prefer.
  • Control over Windows Aero and demanding Services
    Automatically disable the graphics accelerated theme in Windows Vista and/or demanding services that degrade battery lifetime.
    Once the laptop stops running on batteries, the theme is re-enabled and the stopped services are restored.
  • Notification area information
    It features a compact popup with the essential information you need to quickly monitor. Temperatures, charge status, remaining time and power plans
  • Auto-updates
    No need to trouble in downloading new installers, when a new version is available, the program updates itself.
  • Lightweight in the system
    Given the concern about the battery optimization, BatteryCare does not interfere with the system performance. It requires only a mere 0,1% of Processor and Memory resources.
ডাউনলোড লিঙ্ক – server 1
ডাউনলোড লিঙ্ক – server 2
if u face any download problem please use firefox/ internet explorer

Thursday, July 9, 2015

এই পোষ্টটি শুধু মাত্র নতুনদের জন্য

শিরোনামটি দেখে নিশ্চয় ধারণা করেছেন যে, আপনি যে Windows XP টি বর্তমানে আপনার পিসিতে ব্যবহার করছেন তা অন্য একটি পিসিতে ইনস্টল করার কথা বলছি আমি যাতে আপনার ইনস্টল করা সমস্ত সফটওয়ার আর সেটিংস হুবহু থাকবে। হ্যাঁ, আপনার ধারণাটি সম্পূর্ণ ঠিক। এ পদ্ধতিতে খুব অল্প সময়ে আপনি আপনার উইন্ডোজটি যেকোন ব্রান্ডের যেকোন ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, নোটবুকে Transfer করতে সক্ষম হবেন। বর্তমানে প্রতিটি কম্পিউটারের দোকানে বিভিন্ন ব্রান্ডের ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, নোটবুক বিক্রি করা হয়। তাদের জন্য এ পদ্ধতি খুব কাজেরই হবে। কারণ শুধু একটি ফাইল সব পিসিতেই ব্যবহার করা যাবে।
কিছু দিন আগে আমি Windows 7 নিয়ে এরকম একটি পোষ্ট করেছিলাম।  Windows 7 Transfer করার জন্য যে কেউ পোষ্টটি পড়ে উপকৃত হতে পারেন। পোষ্টটি করে যত কমেন্টস পায় নি তার চেয়ে বেশি মেইল পেয়েছি। সবাই অনুরোধ করেছে এক্সপিতে এরকম পদ্ধতি থাকলে তা নিয়ে একটু লেখার জন্য। আমি এর আগে এক্সপি কাস্টমাইজ নিয়ে চেইন টিউন করেছিলাম বলে এক্সপি নিয়ে চিন্তা করি নি। কিন্তু ফ্রেন্ডদের অনুরোধে এক্সপি নিয়ে লিখতে বসলাম আাজ।

১.প্রথমে সিডি/ডিভিডি রমে সিডি/ডিভিডি ডিস্কটি প্রবেশ করান ।
ডিস্কটি কপি করে যে কোনও ড্রাইভে একটি ফোল্ডারের মধ্যে পেস্ট করুন ।
(বি:দ্র:মনে রাখবেন অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল দেয়া থাকলে, কপি করার সময় তা ডিজেবল রাখতে হবে । কারন আপনার কপি করা ফাইল সমূহ , অ্যান্টিভাইরাস নস্ট করে দিতে পারে ।)
২.এরপর WinSetupFromUSB সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করুন,
নিচের লিংক গুলি থেকে :
লিংক ১
লিংক ২
৩.পেনড্রাইভকে পিসির সাথে সংযুক্ত করুন ।পেনড্রাইভকে ফরম্যাট করে নিন এবং পিসির সাথে সংযুক্ত অবস্থাতেই রাখুন।
৪. ডাউনলোড হয়ে গেলে WinSetupFromUSB সফটওয়্যার টি চালু করুন ।
৫. WinSetupFromUSB সফটওয়্যার টি চালু হবার পর, আপনি যেই অপারেটিং সিস্টেম টি কে পেনড্রাইভে বুটেবল করতে চান, তার নামের পাশে চেক বক্সে ক্লিক করুন,

এরপর ব্রাউজ বাটনে ক্লিক করে ,যেই ফোল্ডারে সিডি/ডিভিডি ডিস্কটি কপি করে রেখেছিলেন, সেই ফোল্ডারটি সিলেক্ট করে OK করুন ।

পোস্টের শুরুতেই সবাইকে জানাই সালাম। আজ আপনাদের সাথে খুব প্রয়োজনীয় একটি টপিক নিয়ে আলোচনা করবো, আশা করি টপিকটি আপনাদের কাজে আসবে। মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম তথা ওএস হল উইন্ডোজ। সারা বিশ্বেই উইন্ডোজ একটি জনপ্রিয় ওএস, বাংলাদেশও উইন্ডোজ জনপ্রিয় একটি জনপ্রিয় ওএস। আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে পেন ড্রাইভ দিয়ে কম্পিউটারে উইন্ডোজ সেটআপ দেওয়া যায়।

যেভাবে পেন ড্রাইভ দ্বারা উইন্ডোজ সেটআপ দিবেন

এর জন্য প্রথমেই আপনার দরকার পড়বে Universal-USB-Installer সফটওয়্যারটি। সফটওয়্যারটি আপনার কাছে না থাকলে এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।
এরপর আপনাকে উইন্ডোজের একটি .iso ফাইল ডাউনলোড করে নিতে হবে। আপনি যেই উইন্ডোজ সেটআপ করতে চান তার একটি .iso ফাইল ডাউনলোড করে নিন। এক্ষেত্রে আমি উইন্ডোজ সেভেন দ্বারা সেটআপ করা দেখাবো।
  • উইন্ডোজ সেভেনের .iso ফাইল এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন, অথবা গুগল সার্চ দ্বারা আপনার প্রয়োজনীয় উইন্ডোজের .iso ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।
অনেকই জানেন ব্যাপার টা। যারা জানেন তাদের জন্য। ভাইরাসের জন্য আমাদের প্রাই উইন্ডোজ সেটাপ দিতে। উইন্ডোজ সেটাপ দেবার পরে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সেটাপ দিতে হয় যা অনেক সময়ের ব্যাপার। কিন্তু আজকে আমি যেটার কথা বলব সেটা দিয়ে আপনি ৫ মিনিটেই বা তারো কম সময়ে সব কিছু (উইন্ডোজ+প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার) ইনেস্টল করে ফেলতে পারবেন।
এটি আসলে উইন্ডোজের ইমেজ কপি করে পরে তা রিস্টোর করা। এ কাজের জন্য আমরা ব্যবহার করব Acronis Rescue Media Boot Cd।


প্রথমেই আমারা Acronis Rescue Media Boot Cd ডাউনলোড করে নিব.... (ফোরামের নিয়ম অনুযায়ী এই ডাউনলোড লিংক এখানে দিতে পারলাম না...কেহ প্রয়োজন মনে করলে এখানে জানাবেন আমি গোপন বার্তায় দিয়ে দিব)  সফটওয়ারটি সাইজ ১৭২ এমবি।
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করার পর এক্সট্রাক্ট করে নিন। তারপর ISO ফাইলটি নিরো দিয়ে সিডিটে রাইট করে নিন।
নিরো দিয়ে বুটেবল সিডি করার পদ্ধতিঃ
All Programs>Nero>Nero StartSmart অপেন করে Copy And Backup এর অধিনে Brun Image to Disc ক্লিক করে ISO ফাইলটি দেখিয়ে দিয়ে Next করে কাজ শেষ করুন। ব্যাস হয়ে গেল আপনার Acronis বুটেবল সিডি।
এবার আমরা উইন্ডোজের ইমেজ তৈরি করব। সবচেয়ে ভাল হয় ইমেজ তৈরি করার আগে একবার ফ্রেশ উইন্ডোজ দিয়ে প্রয়োজনীয় সফটওয়ার গুলো ইনেষ্টল করে নিলে। যদি মনে করে বর্তমান যেটা আছে সেটাই ফ্রেস তাহলে দরকার নেই।

Tuesday, June 9, 2015

আমরা সাধারনত কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় কম্পিউটারের মনিটরের ক্ষতিকারক লাইট থেকে চোখকে রক্ষা করার জন্য চশমা বা কম্পিউটারের ডেস্কবোর্ড ব্যবহার করে থাকি । যাতে আমাদের চোখের কোন সমস্যা না হয় । কিন্ত আজ আমি আপনাদের এমন একটি সফট্ওয়ার উপহার দেব যে সফট্ওয়ারটি আপনাদের ডেক্সটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটারে ইনস্টল করলে আপনাকে আর চশমা বা কম্পিউটারের ডেস্কবোর্ড ব্যবহার করতে হবে না ।
সফট্ওয়ারটির নাম হল F.lux . এটি মাএ 532KB
তাহলে দেরি কেন এখনি সফট্ওয়ারটি ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে
  • How to Install
    1. Click the f.lux Windows download link.
    2. Run the installer and the f.lux settings page will appear.
    3. Enter your location and select the type of lighting in your room at night.
ধন্যবাদ । 


Power Management

Power-Management

নির্দিষ্ট সময়ে আপনার কম্পিউটার Shutdown Or Restart করুন ছোট্ট একটি সফটওয়্যার দিয়ে। যেমন ৫ মিনিট , ১০ মিনিট কিংবা আপনার ইচ্ছা মত সময় দিয়ে আপনি চাইলে ১ ঘন্টাও দিতে পারেন। আপনি সে অপশন টা সিলেক্ট করলেন ধরুন আপনি ১০ মিনিট পর Shutdown সিলেক্ট করলেন, তাহলে কাটায় কাটায় ঠিক ১০ মিনিট পর আপনার কম্পিউটার একা একাই Shutdown হয়ে যাবে। আপনি চাইলে Reboot মানে Restart অপশন সিলেক্ট করে আপনার কাঙ্ক্ষিত সময় পর রিষ্টার্ট দিতে পারবেন। পুরো কাজ টা হবে অটোমেটিক।

Power 1

সফটওয়্যার টি রান করলে প্রথমে উপরের উইন্ডো টি আসবে। এখান থেকে আপনাকে অপশন সিলেক্ট করতে হবে যে আপনি কোনটি করতে চান। যদি আপনি Shutdown করতে চান তাহলে এন্টার ইওর চয়েজ এ 1 লিখে Enter চাপুন। যদি Reboot মানে Restart করতে চান তাহলে 2 লিখে Enter চাপুন। যদি আপনি 1 লিখে Enter চাপুন তাহলে নিচের উইন্ডো টি আসবে।

Wednesday, June 3, 2015

প্রত্যেকটা ব্যক্তির নিজের কাছে মনে হয় তার পিসি অন্যদের চেয়ে একটু স্লো চলে। বিষয়টা কিছুটা বাস্তব হলেও অধিকাংশ সময় যে এটা কেবলি মনের ভ্রান্তি তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। কম্পিউটারকে নিয়মিত ফাস্ট রাখার জন্য আমরা তাই কোন না কোন ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু এসব ইউটিলিটি সফটওয়্যার যতোটা না পিসির জন্য উপকারী তারচেয়ে বেশি সিস্টেমের উপর অতিরিক্ত প্রেসার তৈরী করতে কাজ করে। তাই অধিকাংশ কম্পিউটার এক্সপার্টরা তথাকথিত ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকেন। তবে কম্পিউটারের কিছু সমস্যা দুর করার জন্য কিছু সফটওয়্যার সত্যিকার অর্থেই অনেক ভালো কাজ করে। বিশেষ করে মাঝে মাঝে আমার নিজের পিসি কাজের চাপে হ্যাং হয়ে যায়। আমি এর সমাধান খুঁজতে গিয়ে আজকের টিউনে আলোচিত সফটওয়্যারটি পেয়েছে। কিন্তু আমি মনে হয় কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বের করে ফেলেছি। কারন সফটওয়্যারটির ফিচার দেখে আমার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেছে। এ কারনে আপনাদের সাথে এটি শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না।

Windows Doctor – পিসির সত্যিকারের ডাক্তার

Windows Doctor হলো ১৪টি প্রয়োজনীয় প্রাকটিকেল টুলসের সমন্বয়ে তৈরী এমন একটি সফটওয়্যার যার সাহায্যে শুধুমাত্র মাউস ক্লিকের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় সমস্যা দুর করা সম্ভব। এটি পিসিকে এতোটাই ক্লিন এবং সুপার ফাস্ট রাখে যে আগের অবস্থার চাইতে ১০০% দ্রুতগতির মনে হয়।

সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করার আগে চলুন এর ফিচারগুলো এক নজরে দেখে নেওয়া যাক। কারন মুখের কথায় নয় কাজের প্রমাণ দিয়ে সব কিছু বিবেচনা করা উচিত। ভালো লাগলে তারপর তো ডাউনলোডের কথা আসবে।

System Booster – কম্পিউটারকে করবে সুপার ফাস্ট

  • সিস্টেম বোস্টার মুলত আপনার কম্পিউটারের সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়ার এনালাইসিস করে তার সব সমস্যা নিজে নিজে সমাধান করে। ফলে স্লো হয়ে যাওয়া কম্পিউটার হয়ে যায় সুপার ফাস্ট।

আপনার কম্পিউটারকে সম্পূর্ণরূপে অপটিমাইজেশনের জন্য নিচের ইনডিভিজুয়াল অপটিমাইজেশনগুলো করা করা হয়।

Sunday, May 31, 2015


আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন।
আজ আমি আপনাদের একটি রিকভারী সফটওয়্যার শেয়ার করবো। শুরুতেই জেনে নেয়া যাক রিকভারী সফটওয়্যার মানে কী?
আমরা যখন কোনো ফাইল পিসি থেকে ডিলেট করে দেই, তখন আবার যে সফটওয়্যারের মাধ্যেমে উদ্ধার করা হয় তাই হল রিকভারী সফটওয়্যার। আজ আমি আপনারদের চমৎকার একটি রিকভারী সফটওয়্যারের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। এর নাম হল Puran File Recovery. এর সাহায্যে আপনি আপনার ডিলেট হওয়া সকল ফাইল উদ্ধার করতে পারবেন। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, আপনার পিসি কিনার সময় থেকে এ পর্যন্ত যত ফাইল ডিলেট করেছেন তা রিকভার করতে পারবেন। তো চলুন এটির ব্যবহার বিধি জেনে নেইঃ
Recovery 1.jpg
১.প্রথমে আপনি এখান থেকে Puran File Recovery সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল দিন।
২.এবার আপনি যে ড্রাইবের ফাইল রিকভার করতে চান সেই ড্রাইবটি সিলেক্ট করুন।
৩.এবার Scan এ ক্লিক করুন। তাহলে আপনার ডিলেট হওয়া ফাইলের লিষ্ট দেখতে পাবেন।
৪.এবার যে যে ফাইলগুলো রিকভার করতে চান সেই ফাইলগুলোর পাশে টিক দিন। আপনি চাইলে Select All দিতে পারেন।
৫.এবার উপরের মেনু থেকে Recover ক্লিক করুন।
৬.এবার আপনি কোন ফোল্ডারে ফাইল সেভ করবেন তা সিলেক্ট করে সেভ করুন।
ব্যাস আপনার হারানো ফাইল পেয়ে গেলেন। এ পদ্ধতিতে আমি ৩ জিবির ফাইল পর্যন্ত রিকভার করেছি।

উপরের পদ্ধতিতে আপনি কয়েক মাস আগের ডিলেট হওয়া ফাইল উদ্ধার করতে পারবেন। আপনি যদি পিসি কেনা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত যত ফাইল ডিলেট করেছেন রিকভার করতে চান তবে উপরের মেনু থেকে Deep scan, Full scan ও Find lost files এ টিক দিয়ে রিকভার দিন। তাহলে সব পেয়ে যাবেন। নিচের ছবিতে দেখুনঃ

প্রিয় টেকপ্রাণ ভাইয়েরা কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন।
আজ আমি আপনাদের শেয়ার করতে যাচ্ছি কম্পিউটারের কীবোর্ডের F1 থেকে F12 পর্যন্ত প্রতিটি বাটনের কাজ। যা আমাদের জানা অতি প্রয়োজনীয়। বিপদে কাজে লাগতে পারে। তাই জেনে নেয়াটাই মনে হয় ব্যাটার হবে। তো চলুন দেখে নেই এই কীগুলোর কাজঃ
f1-to-f12-use-in-computer.jpg
F1- এটি একটি সাহায্যকারী বাটন। মূলত যেকোনো প্রোগ্রামে ঢুকে F1 চাপলে এর হেল্প মেনু চলে আসে।
F2- মূলত এটি দিয়ে যেকোনো ফাইল বা ফোল্ডারকে রিনেম করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যে ফাইলটিকে রিনেম করতে চান, সেটি সিলেক্ট করে F2 চাপলেই সর্টকাটে রিনেম করতে পারবেন।
F3- এর সাহায্যে বিভিন্ন প্রোগ্রামের সার্চ অপসানটি দেখাতে পারবেন। ফলে যেকোনো ফাইল সহজেই পেয়ে যাবেন।
F4- Ctrl+F4 চেপে ওপেন থাকা সকল উইন্ডো ক্লোজ করা হয়। Alt+F4 চেপে সকল এক্টিভ প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়ে থাকে।
F5- এই বাটনটির সাহায্যে যেকোনো ওয়েবপেজ সহ সকল প্রোগ্রাম রিফ্রেশ করা হয়ে থাকে।
F6- এই কী টি দিয়ে মাউসের কার্সর বা তীরটিকে ওয়েব এড্রেস লেখার জায়গায় নিয়ে যায়।
F7- Shitf+F7 চেপে সিলেক্ট করা কোনো শব্দের বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ বের করা যায়। F7 চেপে শব্দের বানার (spelling) চেক কার হয়।
F8- পিসি বা অপারেটিং চালুর সময় এটি পিসির BIOS এ নিয়ে যাবে। (সকল পিসিতে এই বাটনটি কাজ করবে না। একেক পিসির জন্য একেক বাটন)
F9- কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০ এর টুলবারটি এই বাটনের সাহায্যে দ্রুত খোলা যায়।
F10- এই বাটনের সাহায্যে এক্টিভ কোনো উইন্ডো নির্বাচন করা হয়।
F11- এই বাটনের সাহায্যে ওয়েব ব্রাউজারকে ফুল স্কীন করা হয়।
F12- Ctrl+Shift চেপে ফাইল প্রিন্ট, Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল সেভ এবং F12 চেপে Save উইন্ডো প্রদর্শিত হয়।

F1 থেকে F12 পর্যন্ত প্রতিটি বাটনের আরো অনেক মজার মজার কাজ রয়েছে। যা হয়ত আমার পক্ষে দেয়া সম্ভব না। হয়ত বা অন্য টিউনার তা শেয়ার করতে পারে। তাই বলে আমার উপর রাগ কইরেনা।
আজ টিউনটি শেষ করলাম। সবাই ভালো থাকবেন।
সুপ্রিয় টেক প্রাণ বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি ভালই আছেন।
আজকে আমি আপনাদের কিছু রান কমান্ড শেয়ার করবো। এগুলো দিয়ে আপনি সহজেই সর্টকাটে অনেক কাজ করতে পারবেন। আশা করি এগলো আপনাদের অনেক সহায়ত করবে। তো চলুন দেখে নেইঃ
run-shortcut-code.jpg

১.চেক ডিস্ক- chkdsk
২.ক্যালকুলেটর- calc
৩.রিমুভ/এড প্রোগ্রাম- appwiz.cpl
৪.একসেস কন্ট্রোল- access.cpl
৫.হার্ডওয়্যার উইজার্ড- hdwwiz.cpl
৬.এডমিন টুলস- control admintools
৭.অটোমেটিক আপডেট- wuaucpl.cpl
৮.সার্টিফিকেটস- certmgr.msc
৯.ব্লুটুথ ট্রান্সফার মেনু- fsquirt
১০.ক্যারেকটার ম্যাপ- charmap
১১.ক্লিপবোর্ড ভিউয়ার- clipbrd
১২.কম্পোন্টেমেন্ট সার্ভিস- dcomcnfg
১৩.কমান্ড প্রোম্পট- cmd
১৪.পিসি ম্যানেজমেন্ট- compmgmt.msc

টিউনটি পড়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন।

Saturday, May 30, 2015

আজ আপনাদের কম্পিউটারের জন্য সুন্দর একটা ঘড়ি নিয়ে এলাম।
এটি একদম হালকা এবং খুব স্মুথ।
আপনার কম্পিউটারকে একটুও স্লো করবে না।
একটা ছবি দিচ্ছি দেখুন…
Windows Clock Bengali Tutorial
Windows Clock Bengali Tutorial
ঘড়িতে বিভিন্ন রঙের যে দাগ দেখা যাচ্ছে, ওগুলো হল ঘড়ির কাঁটা।
ভিতরে টেক্সট হিসাবেও দেখাবে।
নিচে আর একটা ফটো দিচ্ছি, দেখুন…
যারা গান, ভিডিও ইত্যাদি বেশি দেওয়া নেওয়া করে তাদের এই সফটওয়্যারটির খুব প্রয়োজন পড়বে।
আমার তেমন প্রয়োজন হয় না।
তবুও মাঝে মধ্যে ব্যাবহার করেছি।
যারা বেসি ফাইল ট্রান্সফার করেন তাদের ব্যাবহার করা উচিত।
না, আর কথা বাড়াব না।
যারা এটা নিতে চান, তারা নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নেন।
কি হবে এটা দিয়ে?
এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনারা গান, ভিডিও ইত্যাদি ফাইল দ্রুত পেন ড্রাইভে বা অনান্য যায়গায় তাড়াতাড়ি কপি বা ট্রান্সফার করতে পারবেন।
ব্যাবহার করে দেখুন মজা পাবেন।
আজকের টিউটোরিয়ালে আপনাদের জন্য থাকছে একটি আপডেটেড প্রিমিয়াম সফটওয়্যার।
তো দেরি না করে আসুন জেনে নিই সফটওয়্যারটির সম্পর্কে।
আজ আমি যে সফটওয়্যারটি শেয়ার করব এটা আপনারা অনেকে ব্যাবহার করেছেন।
যারা ব্যাবহার করছেন তারা নতুন ভার্সনটা ডাউনলোড করেন নিন, আর যারা নতুন তারা টিউটোরিয়ালটি পড়ুন এবং ডাউনলোড করুন।
তাহলে PC Cleaner Pro সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক।
PC Cleaner Bengali Tutorial
PC Cleaner Bengali Tutorial

Popular Posts

Pomot Your Website & Facebook Fun Page Contact me +8801914656495

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

আপনে কি সিসি টিভি লাগার কথা ভাবতিছেন??বিস্তারিত জানতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন!

SCIENTIFIC CALCULATOR

powered by calculator.net

Only call Argent +8801914656495

Powered by Blogger.

Ad heare

cc

Featured Posts

Our facebook Page